পরিচিতি

  • ২০১১

    মার্চ

    মাইজোন (ব্যবহারের উপর অবস্থান ভিত্তিক ডিসকাউন্ট সুবিধা) সার্ভিসের সূচনা

    এপ্রিল

    ইকেয়ার সলিউশন চালু
    কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স ল্যাব প্রতিষ্ঠা

    মে

    কমিউনিটি পাওয়ার প্রজেক্ট
    গ্রামীণফোন ব্র্যান্ডেড হ্যান্ডসেট (এ্যান্ড্রয়েড) - "ক্রিস্টাল"

    সেপ্টেম্বর

    ১ সেকেন্ড পাল্‌সসহ স্পন্দন প্যাকেজ চালু

    ডিসেম্বর

    নেটওয়ার্ক সোয়াপ-এর সমাপ্তি
    গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটি ৬৫ লাখে উন্নীত

  • ২০১০

    মার্চ ২০১০

    নতুন প্রিপেইড প্রাইস প্ল্যান ক্যাম্পেইন

    মার্চ

    ই-টিকেটিং-এর সুবিধাসহ ‘‘মোবিটাকা’’-র অভিষেক

    এপ্রিল

    এলো ইন্টারনেট মিনিপ্যাক

    এপ্রিল

    নিউ জেনারেশন গ্রামীণফোন ইন্টারনেট মোডেম-এর আগমন

    মে

    গ্রাহকসংখ্যা ২.৫ কোটি

    জুন

    গ্রামীণফোনের প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা

    জুলাই

    গ্রামীণফোন হেডকোয়ার্টারের নতুন ঠিকানা জিপি হাউস

    জুলাই

    নতুন নেটওয়ার্ক ক্যাম্পেইন শুরু

    ডিসেম্বর ২০১০

    বিজয় দিবসে ‘‘আমার দেশ আমার গর্ব’’ অনুষ্ঠিত

  • ২০০৯

    জানুয়ারি ২০০৯

    ফোন ব্যাকআপ ও ইন-ফ্লাইট রোমিং সার্ভিসের উদ্বোধন

    ফেব্রুয়ারি ২০০৯

    গ্রামীণফোন ইন্টারনেট মোডেম-এর অভিষেক

    মার্চ ২০০৯

    ২.১ কোটি গ্রাহক

    এপ্রিল ২০০৯

    ইন্টারনেট মোডেম নিয়ে আসা হয়

    জুন ২০০৯

    নতুন নেটওয়ার্ক ক্যাম্পেইন শুরু

    সেপ্টেম্বর ২০০৯

    গ্রামীণফোন নিয়ে এলো গ্রামীণফোন হ্যান্ডসেট

    অক্টোবর ২০০৯

    স্টাডিলাইন সার্ভিস চলে এলো

  • ২০০৮

    জানুয়ারি ২০০৮

    বাংলাদেশে প্রথম নিয়ে আসা হলো ব্ল্যাকবেরি সার্ভিস

    মার্চ ২০০৮

    সবচেয়ে সাশ্রয়ী অন-নেট ট্যারিফ অফার

    এপ্রিল ২০০৮

    গ্রামীণফোনের নতুন পরিচয় নিয়ে এলো ‘‘কাছে থাকুন’’

    মে ২০০৮

    ‘‘গ্রাহকসেবা ক্যাম্পেইন’’ শুরু

    জুন ২০০৮

    ২ কোটি গ্রাহকে উন্নীত

  • ২০০৭

    ফেব্রুয়ারি ২০০৭

    বিজনেস সলিউশনস রিলঞ্চ

    ফেব্রুয়ারি ২০০৭

    নতুন VAS স্টক ইনফরমেশন ও মিসড কল অ্যালার্ট লঞ্চ

    এপ্রিল ২০০৭

    নতুন রূপে ডিজুস

    এপ্রিল ২০০৭

    নতুন সার্ভিস পে ফর মি

    অক্টোবর ২০০৭

    ১ কোটি ৬০ লাখ গ্রাহকসংখ্যা

  • ২০০৬

    জানুয়ারি ২০০৬

    নতুন এলো বিজনেস ও পিসিও প্রোডাক্ট

    ফেব্রুয়ারি ২০০৬

    কমিউনিটি ইনফরমেশন সেন্টারের আগমন

    জুলাই ২০০৬

    নতুন সার্ভিস সেলবাজার

    নভেম্বর ২০০৬

    গ্রামীণফোনের নতুন লোগো, নতুন রূপ

    নভেম্বর ২০০৬

    এলো হেলথলাইন সার্ভিস

    ডিসেম্বর ২০০৬

    প্রিপেইড ও পোস্টপেইড নতুন রূপে

    ডিসেম্বর ২০০৬

    সিআইসি-তে বিল পে সার্ভিসের সূচনা

  • ২০০৫

    এপ্রিল ২০০৫

    তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন পণ্য ডিজুসের জন্ম

    এপ্রিল ২০০৫

    ইলেক্ট্রনিক রিচার্জ সিস্টেম ফ্লেক্সিলোডের সূচনা

    সেপ্টেম্বর ২০০৫

    EDGE ও ভয়েস এসএমএস সার্ভিসের লঞ্চ

    অক্টোবর ২০০৫

    ৫০ লাখ গ্রাহকসংখ্যা

  • ২০০৩-০৪

    আগস্ট ২০০৩

    ১০ লাখ গ্রাহকসংখ্যা

    অক্টোবর ২০০৩

    এলো পিএসটিএন সংযোগসহ প্রিপেইড সংযোগ

    আগস্ট ২০০৪

    গ্রাহকসংখ্যা ২০ লাখ

  • ১৯৯৭-২০০২

    মার্চ ১৯৯৭

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে গ্রামীণফোনের শুভ সূচনা

    জুন ১৯৯৮

    মোবাইল টু মোবাইল সার্ভিসের সূচনা (পিএসটিএন সুবিধা ছাড়া)

    আগস্ট ১৯৯৯

    দেশের প্রথম প্রিপেইড সার্ভিসের আগমন

    ২০০১

    এলো WAP সার্ভিস

    ২০০২

    বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ডে ‘‘বেস্ট জয়েন্ট ভেনচার এন্টারপ্রাইজ’’ ভূষিত

গ্রামীণফোন...আমাদের কথা

গ্রামীণফোন আসার আগে ফোন স্বল্প কিছু শহুরে মানুষের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। আর মোবাইল ফোন ছিল বিলাসিতা; ধনাঢ্য কিছু মানুষের সেবায় নিয়োজিত একটি পণ্য। সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল মোবাইল ফোন নামের এই যন্ত্রটি।

গ্রামীণফোনের জন্ম হয় ভিলেজ ফোন কর্মসূচীর আওতায় বাংলাদেশের পল্লী নারীদের উন্নয়নের জন্য। পল্লীগ্রামে সূচনা দেখেই এই ফোনের নামকরণ হয় ''গ্রামীণফোন''।

১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে জন্ম নেয় গ্রামীণফোন। তারপর গত ১৩ বছরে বদলে গেছে পুরো দৃশ্যপট। গ্রামীণফোন দেশে প্রথম মোবাইল টু মোবাইল সেবার জন্ম দেয় এবং প্রথম দেশের ৯৮% মানুষকে নিজস্ব নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসে।

সৃষ্টির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত গ্রামীণফোন ৭০০০-এরও বেশি লোকেশনে ১৩ হাজারের বেশি বেইজ স্টেশন নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় সেলুলার নেটওয়ার্কটি তৈরি করে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৯৮% জনগণ গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছে।

গ্রামীণফোন প্রথম থেকেই গ্রাহকদের জন্য নিত্য নতুন সব পণ্য ও সেবা নিয়ে এসেছে। ১৯৯৭ সালের মার্চ মাসে জিপি প্রথম দেশে জিএসএম প্রযুক্তি চালু করে।

এছাড়াও গ্রামীণফোন দেশের প্রথম প্রিপেইড সার্ভিস শুরু করে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। এরই হাত ধরে একে একে জিপি নিয়ে আসে দেশের প্রথম ২৪ ঘন্টার কল সেন্টার, বিভিন্ন ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিস যেমন ভয়েস মেইল সার্ভিস, এসএমএস, ফ্যাক্স ও ডাটা ট্রান্সমিশন সার্ভিস, ইন্টারন্যাশনাল রোমিং, WAP, এসএমএস ভিত্তিক পুশ-পুল সার্ভিস, EDGE, পার্সোনাল রিং ব্যাক টোন (ওয়েলকাম টিউন) ও আরো অনেক কিছু।

গ্রামীণফোনের সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক EDGE/GPRS সম্বলিত, যার মাধ্যমে এর নেটওয়ার্কের আওতায় দেশের যেকোন জায়গা থেকে সহজেই উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ও ডাটা সার্ভিস উপভোগ করা যায়। বর্তমানে এর আওতায় প্রায় ২৬ লাখ EDGE/GPRS ব্যবহারকারী আছে।

ফেব্র“য়ারি ২০১১ পর্যন্ত গ্রামীণফোন দেশের সবচেয়ে বড় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, যার গ্রাহকসংখ্যা ৩.৩ কোটির বেশি।

জানেন কি?

  • গ্রামীণফোন এখন পর্যন্ত এর নেটওয়ার্ক তৈরির কাজে ১৬,০০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছে।
  • গ্রামীণফোন দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় করদাতা প্রতিষ্ঠান। এখন পর্যন্ত বিভিন্নভাবে গ্রামীণফোন প্রায় ১৮,৫০০ কোটি টাকা কর প্রদান করেছে।
  • সারা দেশজুড়ে প্রায় প্রতিটি উপজেলায় গ্রামীণফোনের ১৬০০-এর বেশি সার্ভিস ডেস্ক আছে এবং সকল বিভাগীয় সদরে মোট ৮২ টি গ্রামীণফোন সেন্টার আছে।
  • গ্রামীণফোনের ফুলটাইম ও পার্টটাইম কর্মীদের সংখ্যা ৫,০০০-এর বেশি।
  • গ্রামীণফোনের ডিলার, রিটেইলার, স্ক্র্যাচকার্ড বিক্রেতা, সাপ্লায়ার, বিক্রেতা, কন্ট্রাক্টরসহ নানান পেশায় প্রায় ৩ লাখ মানুষ তাদের জীবিকা অর্জন করছে গ্রামীণফোনের মাধ্যমে।