পরিচিতি
গ্রামীণফোন...আমাদের কথা
গ্রামীণফোন আসার আগে ফোন স্বল্প কিছু শহুরে মানুষের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। আর মোবাইল ফোন ছিল বিলাসিতা; ধনাঢ্য কিছু মানুষের সেবায় নিয়োজিত একটি পণ্য। সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল মোবাইল ফোন নামের এই যন্ত্রটি।
গ্রামীণফোনের জন্ম হয় ভিলেজ ফোন কর্মসূচীর আওতায় বাংলাদেশের পল্লী নারীদের উন্নয়নের জন্য। পল্লীগ্রামে সূচনা দেখেই এই ফোনের নামকরণ হয় ''গ্রামীণফোন''।
১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে জন্ম নেয় গ্রামীণফোন। তারপর গত ১৩ বছরে বদলে গেছে পুরো দৃশ্যপট। গ্রামীণফোন দেশে প্রথম মোবাইল টু মোবাইল সেবার জন্ম দেয় এবং প্রথম দেশের ৯৮% মানুষকে নিজস্ব নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসে।
সৃষ্টির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত গ্রামীণফোন ৭০০০-এরও বেশি লোকেশনে ১৩ হাজারের বেশি বেইজ স্টেশন নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় সেলুলার নেটওয়ার্কটি তৈরি করে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৯৮% জনগণ গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছে।
গ্রামীণফোন প্রথম থেকেই গ্রাহকদের জন্য নিত্য নতুন সব পণ্য ও সেবা নিয়ে এসেছে। ১৯৯৭ সালের মার্চ মাসে জিপি প্রথম দেশে জিএসএম প্রযুক্তি চালু করে।
এছাড়াও গ্রামীণফোন দেশের প্রথম প্রিপেইড সার্ভিস শুরু করে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। এরই হাত ধরে একে একে জিপি নিয়ে আসে দেশের প্রথম ২৪ ঘন্টার কল সেন্টার, বিভিন্ন ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিস যেমন ভয়েস মেইল সার্ভিস, এসএমএস, ফ্যাক্স ও ডাটা ট্রান্সমিশন সার্ভিস, ইন্টারন্যাশনাল রোমিং, WAP, এসএমএস ভিত্তিক পুশ-পুল সার্ভিস, EDGE, পার্সোনাল রিং ব্যাক টোন (ওয়েলকাম টিউন) ও আরো অনেক কিছু।
গ্রামীণফোনের সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক EDGE/GPRS সম্বলিত, যার মাধ্যমে এর নেটওয়ার্কের আওতায় দেশের যেকোন জায়গা থেকে সহজেই উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ও ডাটা সার্ভিস উপভোগ করা যায়। বর্তমানে এর আওতায় প্রায় ২৬ লাখ EDGE/GPRS ব্যবহারকারী আছে।
ফেব্র“য়ারি ২০১১ পর্যন্ত গ্রামীণফোন দেশের সবচেয়ে বড় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, যার গ্রাহকসংখ্যা ৩.৩ কোটির বেশি।
জানেন কি?
- গ্রামীণফোন এখন পর্যন্ত এর নেটওয়ার্ক তৈরির কাজে ১৬,০০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছে।
- গ্রামীণফোন দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় করদাতা প্রতিষ্ঠান। এখন পর্যন্ত বিভিন্নভাবে গ্রামীণফোন প্রায় ১৮,৫০০ কোটি টাকা কর প্রদান করেছে।
- সারা দেশজুড়ে প্রায় প্রতিটি উপজেলায় গ্রামীণফোনের ১৬০০-এর বেশি সার্ভিস ডেস্ক আছে এবং সকল বিভাগীয় সদরে মোট ৮২ টি গ্রামীণফোন সেন্টার আছে।
- গ্রামীণফোনের ফুলটাইম ও পার্টটাইম কর্মীদের সংখ্যা ৫,০০০-এর বেশি।
- গ্রামীণফোনের ডিলার, রিটেইলার, স্ক্র্যাচকার্ড বিক্রেতা, সাপ্লায়ার, বিক্রেতা, কন্ট্রাক্টরসহ নানান পেশায় প্রায় ৩ লাখ মানুষ তাদের জীবিকা অর্জন করছে গ্রামীণফোনের মাধ্যমে।










