গ্রামীণফোনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঘটে যাওয়া ইন্টারনেট বিপ্লব নানাবিধ তথ্য জানা ও পাওয়ার সুযোগকে আরও সহজতর করেছে। গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজে EDGE প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ নিজ নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস করতে প্রয়োজন হয় নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য আর অধিক গতিসম্পন্ন প্লাটফর্ম। আর এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদান খুব বেশি নিরাপদ বলে বিবেচিত নয়।

কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ উপায়ে ডাটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে গ্রামীণফোন নিয়ে এসেছে জিপি কানেক্ট সার্ভিস যা এই কাজটি করে থাকে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য নিবেদিত একটি বিশেষ অ্যাকসেস পয়েন্ট নেইম (এপিএন)-এর মাধ্যমে। জিপি কানেক্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রামীণফোন জিএসএম নেটওয়ার্কে নিরাপদ সংযোগ নিশ্চিত করে। এ প্রযুক্তিতে এপিএন-এর সহায়তায় সিম কার্ডের মাধ্যমে কর্পোরেট সার্ভারে ডাটা পাঠানো হয়। সিম কার্ড থেকে পাঠানো ডাটা করপোরেট সার্ভারে চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো হয়। জিপি সুইচ সাইট থেকে কর্পোরেট সার্ভারে ডাটা পাঠাতে ফাইবার অপটিক ক্যাবল একটি প্রয়োজনীয় মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

সুবিধাসমূহ:

  • নিরাপত্তা: Ciphering ও I IPSec প্রোটোকল ডেটা ইনক্রিপ্ট করার পাশাপাশি একে কোন প্রকার বাহ্যিক হস্তক্ষেপ ও সহজপ্রাপ্যতা থেকে রক্ষা করে।
  • অধিক সুবিধা: প্যাকেজগুলো অধিকতর সুবিধাজনক ও এগুলো সেট-আপ করাও সহজ।
  • একটি শক্তিশালী, আস্থার নেটওয়ার্ক: ১২ হাজারেরও বেশি বিটিএস-এর সহায়তায় অত্যন্ত শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করে দেশের যেকোন প্রান্তে মুহর্তে পৌঁছে যাওয়ার মত কাভারেজ।
  • নিরবচ্ছিন্ন ডেটা আদান-প্রদান: ফাইবার অপটিক সংযোগ নিশ্চিত করে কর্পোরেট সার্ভারে একই সময়ে বিপুল পরিমাণ ডাটা’র নির্বিঘ্ন ট্রান্সফার।
  • সবসময়ই সংযুক্ত: দুটি ফাইবার অপটিকের মধ্যকার স্বয়ংক্রিয় পুনরাবৃত্তি ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ডাটা’র নিরবচ্ছিন্ন আদান-প্রদান।
  • অদ্বিতীয় সার্ভিস: এই সেবায় সবচেয়ে দক্ষ জনবল, প্রতিযোগিতামূলক SLA ও সময়োপযোগী প্রসেস।

এটি কীভাবে কাজ করে?

আমাদের দেশব্যাপী বিস্মৃত EDGE নেটওয়ার্ক দেশের যেকোন প্রান্ত হতে জিপি কানেক্ট সিম থেকে (একটি ইউনিক এপিএন ব্যবহার করে) রেডিও লিঙ্ক-এর মাধ্যমে ডাটা সংগ্রহ করে। এরপর সিমটি কর্পোরেট হেড অফিস ও জিপি EDGE কোর নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি ফাইবার ব্যাকবোন-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ডাটা পাঠিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে ডেটা সার্কিটটি ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকে না (লাল চিহ্নিত)। ট্রান্সফারকৃত ডাটা কম্পিউটার হ্যাকার ও বাহ্যিক যেকোন হস্তক্ষেপ থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

আমরা কী সমাধান দিচ্ছি:

এমটুএম কানেকটিভিটি:

জিপি কানেক্ট দেয় সংবেদনশীল ডাটা আদান-প্রদান ও ব্যবহারে বিশেষ এপিএন সুবিধা। পয়েন্ট অব সেল নেটওয়ার্ক, এটিএম, ইউটিলিটি মিটারিং, সার্ভেলেন্স ও মনিটরিং-এর মতো একটি আদর্শ মেশিন টু মেশিন নেটওয়ার্ক তৈরিতে এটি অটো রিডানডেন্সী সুবিধাসহ আস্থা রাখার মতো একটি নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করে।

পয়েন্ট অব সেল নেটওয়ার্ক:

ক্রেডিট কার্ড ভিত্তিক নিরাপদ লেনদেনে পিওএসএম নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এতে সিমে কনফিগার করা বিশেষ এপিএন-এর মাধ্যমে পিওএস টার্মিনালটি কর্পোরেট সার্ভারের সাথে সংযুক্ত থাকে। বিশেষ এড্রেসিং-এর জন্য স্থায়ী আইপি স্কীম ব্যবহৃত হয়। IPSec প্রোটোকল-এর মাধ্যমে এন্টারপ্রাইজ কাস্টমার সার্ভারে ডাটা পাঠানো হয়। এটি EDGE ব্যবহারকারীদের জন্য ডাটার আদান-প্রদানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আর এ পুরো প্রক্রিয়াটিতে পয়েন্ট অব সেল টার্মিনাল থেকে কর্পোরেট ডাটা সেন্টারে ডাটার নির্বিঘ্ন, নিরাপদ আদান-প্রদান নিশ্চিত করা হয়।

ইউটিলিটি মিটারিং:

ইউটিলিটি মিটারিং কি পরিমাণ বিদ্যুৎ বা জ্বালানী ব্যবহৃত হয়েছে তার সঠিক হিসাব ও গ্রাহকদের নির্ভুল বিল-এর তথ্য দিয়ে থাকে। এপিএন এর মাধ্যমে সংযুক্ত মিটার ইউটিলিটি কোম্পানীর হেড অফিসে অবস্থিত সার্ভারে ডাটা পাঠায়। ইনক্রিপশন ও IPSec চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরিত ডাটা’র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। স্থায়ী আইপি স্কীম লোড ব্যালেন্স ও মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। বিদ্যুৎ/জ্বালানীর অপচয় রোধ ও সমবন্টন সুবিধার কারণে এ জাতীয় নেটওয়ার্ক ইউটিলিটি কোম্পানীগুলোর প্রথম পছন্দের নেটওয়ার্ক।

">
জিপি কানেক্ট অফিস P1 ও P2
অপশনন্যূনতম মাসিক ফি (টাকায়)সাবস্ক্রিপশনের সংখ্যা
অপশন ১১৫০০৫০-১০০
অপশন ২১৩৫০১০১-৩০০
অপশন ৩১২০০৩০১-৬০০
অপশন ৪১১০০৬০১-৯০০
অপশন ৫১০০০৯০১+

 

জিপি কানেক্ট লাইট P1 ও P2
মাসিক ব্যবহারের ফি (টাকায়)
ন্যূনতম মাসিক ফি ২০০ টাকা + প্রতিবার ব্যবহারের জন্য ২ টাকা
Unique APN-এর খরচ : ফ্রি

 

* ৫% সম্পূরক শুল্ক + সম্পূরক শুল্কসহ মোট মূল্যের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য+ মূল কলরেটের উপর ১% সারচার্জ প্রযোজ্য

এই সেবা পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শেয়ার