বিগত দশকে আমরা প্রযুক্তির উন্নয়নের সাক্ষী থেকেছি। ওয়্যারলেস ডিভাইস থেকে শুরু করে বাসা, অফিস, স্কুল, স্টোর ইত্যাদিতে স্মার্ট অ্যাপ্লাইয়েন্স-এর ব্যবহারে যেনো এক ডিজিটাল বিপ্লব ঘটছে। এখনই সময় আমাদের হাতে থাকা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার। এই বিশ্বাসেই গ্রামীণফোন বাংলদেশে সর্বপ্রথম নিয়ে এলো ই-সিম।
ই-সিম মানে এম্বেডেড সিম, অর্থাৎ একধরণের সিম, যেটা ব্যবহার করতে ফোনে কোনও রকম সিম কার্ড ঢুকাতে হয় না। এতে প্লাস্টিকের ব্যবহারও কম হয়। সম্পূর্ণ বিশ্ব এগিয়ে চলেছে শ্যমল প্রযুক্তির পথে। আমাদেরও তাই করা উচিত। ই-সিমের সাথে আমরা প্রাকৃতিক বর্জ্য পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারবো। এটা আমাদের সৌভাগ্য হবে যদি এই পৃথিবীকে আরও সুন্দর, আরও সবুজ বানাতে যদি আমরা একসাথে হাতে হাত রেখে কাজ করতে পারি।
ই-সিম এর সুবিধা
নিরাপদকারণ হারানোর ভয় নাই
সহজখুব সহজেই ইন্সটল করা যায়
পরিবেশবান্ধবপ্লাস্টিক সিমের প্রয়োজন নাই
প্রাপ্যতা:
আপনার অনলাইন অনুরোধের ভিত্তিতে, আমাদের ডেডিকেটেড ডেলিভারি পার্টনার ই-সিম সেবাটি দ্রুত, সহজ এবং সুবিধাজনক ভাবে আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে। বর্তমানে শুধুমাত্র ঢাকা শহরের মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য অনলাইন ই-সিম ডেলিভারি সেবা এ্যাভেইলেবেল আছে ।
নতুন ই-সিম মূল্য
| প্রোডাক্ট নাম | মূল্য |
|---|
| ই-সিম প্রিপেইড নিশ্চিন্ত | ৩০০ টাকা |
| ই-সিম প্রাইম | ৪০০ টাকা |
ঘরে বসে ই-সিম ডেলিভারি পেতে এখানে ক্লিক করুন
* শর্ত প্রযোজ্য
ই-সিম মাইগ্রেশন চার্জ
| প্রপ্রোডাক্ট নাম | চার্জ |
|---|
| প্রিপেইড | ২৯৯ টাকা |
| প্রাইম | ২৯৯ টাকা |
ঘরে বসে ই-সিম মাইগ্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
ই-সিম সাপোর্টেড ডিভাইস দেখুন!
লিস্ট দেখুন
eSIM কেন্দ্রগুলো জানতে ক্লিক করুন!
সাহায্য এবং প্রশ্নাবলী
ই-সিম অ্যাক্টিভেট করার প্রক্রিয়া কী?
- পছন্দ অনুযায়ী একটা প্ল্যান বেছে নিন
- আপনার মোবাইল নম্বরটি বেছে নিন
- বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন পদ্ধতিটি সম্পন্ন করুন
- আপনার হ্যান্ডসেটটিতে ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করুন
- সিম কিটে দেওয়া QR কোডটি স্ক্যান করুন
- আপনার হ্যান্ডসেট অনুযায়ী ধাপে ধাপে প্রসেসটি কমপ্লিট করুন
আপনার ফিজিক্যাল সিমকে ই-সিমে মাইগ্রেট করতে ই-সিম সাপোর্টেড হ্যান্ডসেট নিয়ে আপনার নিকটবর্তী জিপি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে গিয়ে ই-সিম ক্রয় করার পক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন অথবা জিপি অনলাইন শপে গিয়ে নিচের স্টেপগুলো অনুসরণ করে ই-সিমে কনভার্ট করে নিন:
- ই-সিম মাইগ্রেশনের জন্য রিকোয়েস্ট করুন
- বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন পদ্ধতিটি সম্পন্ন করুন
- আপনার হ্যান্ডসেটটিতে ইন্টারনেট সংযোগ চালু করুন
- সিম কিটে দেওয়া QR কোডটি স্ক্যান করুন
- আপনার হ্যান্ডসেট অনুযায়ী ধাপে ধাপে প্রসেসটি কমপ্লিট করুন
নিচের সহজ স্টেপগুলো অনুসরণ করে ই-সিম থেকে ফিজিক্যাল সিমে ফিরে আসুন-
- ই-সিম মাইগ্রেশনের জন্য রিকোয়েস্ট করুন
- বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন পদ্ধতিটি সম্পন্ন করুন
- আপনার হ্যান্ডসেটটিতে ইন্টারনেট সংযোগ চালু করুন
- হ্যান্ডসেট থেকে ই-সিম প্রোফাইলটা ডিঅ্যাক্টিভেট এবং ডিলিট করুন
- আপনার হ্যান্ডসেট অনুযায়ী ধাপে ধাপে প্রসেসটি কমপ্লিট করুন
- দুইটা হ্যান্ডসেটে ইন্টারনেট সংযোগ চালু রাখুন
- আপনার পুরানো হ্যান্ডসেট থেকে ই-সিম প্রোফাইলটা ডিঅ্যাক্টিভেট এবং ডিলিট করুন
- নতুন হ্যান্ডসেটে QR কোডটি স্ক্যান করুন
- আপনার নতুন হ্যান্ডসেট অনুযায়ী ধাপে ধাপে প্রসেসটি কমপ্লিট করুন
QR কোড স্ক্যান করার পদ্ধতি
- সেটিংস-এ যেতে হবে
- সেলুলার অথবা মোবাইল ইন্টারনেটের সংযোগ বেছে নিন
- ইন্টারনেট প্ল্যান যোগ করতে ট্যাপ করুন
- QR কোডটি স্ক্যান করুন (অবশ্যই ডিভাইসটি ওয়াই-ফাই অথবা মোবাইল ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ নিশ্চিত করে)
- ধাপে ধাপে প্রসেসটি কমপ্লিট করুন
আপনার মোবাইল প্ল্যান ডাউনলোড এবং ই-সিম অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে।
- সেটিংস-এ যেতে হবে > কানেকশনস্ > সিম কার্ড ম্যানেজার
- ইন্টারনেট প্ল্যান যোগ করতে ট্যাপ করুন
- QR কোডটি ব্যবহার করতে ট্যাপ করুন
- ডিভাইসটি ওয়াই-ফাই অথবা মোবাইল ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ নিশ্চিত করে QR কোডটি স্ক্যান করুন
- ধাপে ধাপে প্রসেসটি কমপ্লিট করুন
আপনার মোবাইল প্ল্যান ডাউনলোড এবং ই-সিম অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে।
- QR কোডটি অনন্য: এটি প্রথমবার সক্রিয় করার পর সর্বোচ্চ আরও দুইবার ব্যবহার করা যাবে। কোডটি স্ক্যান করার পর অবশ্যই 'Carrier' যুক্ত করার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করবেন।
- পুনরায় ব্যবহারের নিয়ম: একই QR কোড অন্য ফোনে ব্যবহার করতে চাইলে, বর্তমান ফোন থেকে প্রোফাইলটি অবশ্যই "Delete" করতে হবে এবং এরপর নতুন ফোনে পুনরায় স্ক্যান করতে হবে।
- সতর্কতা: গ্রাহকের উচিত হবে না eSIM সেটিংস থেকে সরাসরি "Delete" অপশনটি নির্বাচন করা, কারণ এর ফলে eSIM প্রোফাইলটি স্থায়ীভাবে মুছে যেতে পারে।
- পুনরায় স্ক্যান: যদি কোনো প্রোফাইল মুছে ফেলা হয়, তবে গ্রাহককে পুনরায় QR কোডটি স্ক্যান করতে হবে এবং আগের নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে।
- ইন্টারনেট সংযোগ: উভয় ক্ষেত্রেই (অ্যাক্টিভেশন এবং প্রোফাইল পরিবর্তন) সক্রিয় ইন্টারনেট সংযোগ থাকা আবশ্যক।